Friday, March 25, 2011

এতোটা ভালোবাসি - রিকল

যখন নিঝুম রাতে সব কিছু চুপ নিষ্প্রাণ নগরীতে ঝিঝিরাও ঘুম
আমি চাঁদের আলো হয়ে
তোমার কালো ঘরে জেগে রই সারা নিশি, হুম্মম্মম
এতোটা ভালোবাসি ।

একি অপরূপ সুন্দর তার স্বপ্নে বর্ষা রাতে
আমি ভিজে ভিজে গড়ি মিছে
অদ্ভুত প্রভাতে দেখি ভীষণ অন্ধকার মাঝে
আলো-ছায়ায় তার নুপূর বাজে
আমি যে ভেবে ভেবে শিহরিত ।

আমি সূর্যের আলো হয়ে তোমার চলার পথে
ছায়া হয়ে তোমায় দেখি, হুম্মম্মম
এতোটা ভালোবাসি ।

উৎসবের উৎসাহে - আর্টসেল

আমার অবারিত দরজা জুড়ে সম্ভাবনার রঙিন মলাট
আমার শরীর ডুবে আছে অবিরাম মৃত উষ্ণতায়
তুমি যে রোদ মাখবে বলে মেতে উঠেছো রঙের উৎসবে
আমার বিষাদ ছায়া হয়ে ঢেকে দেয় তোমায়
জানবে আমি শুধু আমি নই, আমি মানে অন্য কেউ কিংবা প্রতিবিম্ব
তোমাতে মিলিয়ে আমারসব সুর তোমারই সঙ্গপনে ।

তোমারই অন্ধকারে যে শব্দ বয়ে চলে, এসো কান পেতে রই নিরবে
মনেরই ইন্দ্রজাল জুড়ে যে স্বপ্ন খেলা করে, নেব সেই সীমানায় তোমাকে
যত দুর চলে গেলে দুরত্ব ঘোচাবে, নিভে যাওয়া মানুষ জ্বলবে আলো হয়ে
সেইখানে তোমাকে জানাবো গোপনে, স্বপ্ন মানে পাশে থাকা
সময়ের হাত ধরে নতুন স্মৃতি নিয়ে, আমি থাকব পথ চেয়ে ছদ্মবেশে ।

আবার এসে দাড়ালে একা, দেখবে আমার চোখে সম্ভাবনা
জীবন জুড়ে থাকে পরাজয়, হয়েছে ম্লান চিরকাল
জানবে তুমি ভোর হওয়া চোখে, যে অবিরাম স্বপ্ন দেখেছ
আমি সেই বাস্তবতা, কিংবা মলিন সান্তনা ।

আমাদের অভিধানে মিথ্যের হয় অনুবাদ
অবসাদ আশ্রয় খুঁজে, মানুষের অন্ধকার ঘরে
প্রতিবাদ প্রতিরোধ ভুলে, আনমনে মেনে নেয় পরাজয়
তখন ভাঙ্গতে হবে ঘোর, হাতে রেখে হাত
হেরে যাওয়াকে বন্দি করে রেখে
জাগতে হবে রাত, আলো জ্বেলে রেখে
উৎসবের উৎসাহে ।

বিস্তীর্ন উজানে একলা হয়ে গেলে
চিনিয়ে নেব পথ চিহ্ন একে একে
পিছু ফিরে পাফিরতে যদি হয় পাড়ি দেব পথ নিমিষে।

এই বিদায়ে - আর্টসেল

তোমার অনেক ফেলে আসা ধূসর ধুলো জমা সময়ে
নীরব চেয়ে থাকা চোখের আলো ঘিরে থাকবে যেন তোমাকে
যা কিছু ছিল থেমে থাকা আবার থামবে এই বিদায়ে
আমার অপার সীমানাতে তোমার চিহ্ন তবু রবে বেঁচে ।

নিয়ত স্মরনের বেড়া জালে অধীর অপেক্ষার শেষে
প্রয়াত আগামীর স্মৃতি জুড়ে বিদায় আসবে অবশেষে
তোমারি শব্দ শুনে নির্জনে ধূসর ধুল জমা সময়ে
নিহত স্বপ্নুগুলো সহসা আলো জ্বেলে হারিয়ে যাও যতদুরে আসবে তবু ফিরে
আমার অজানায়-
অবিরত মলিন ক্ষত মুছে ফেলে চিরতরে
তোমার অসাড় থেমে থাকার, প্রয়াত আগমনে।

তোমাকে - ওয়ারফেজ

শুধু শুধুই ভাবনা
যেতে চাইলে যাও চলে যাও
তবু কেন এ কান্না
জানি ভাল থাকতে
শুধু বলোনা ভুলতে
চাই না বাঁচার উপদেশ
দিন এমনই কাটবে, খেয়ালের ফাঁদে

তোমাকে মনে পড়বে
যখনই জোছনা হাসে
তোমাকে মনে পড়বে
যখনই আকাশ ভেঙ্গে বর্ষা কাদে ।

যেই মোহের বন্যায় ভেষে যাওয়ায় ধন্য হলে
তাতে পারিনি ভাষতে, অস্তিত্ব ভুলে, ভুলে
তাই বলোনা চলতে, স্থবিরতাই সঙ্গী হলে
মন পড়ে থাকলে হতাশার খাদে ।

যে যায়, যাওয়ার পথে দেয়াল হবার কোন স্বপ্ন নেই
যতই কাদাও আমায়, চলি একা পথে ।

অবাক ভালোবাসা - ওয়ারফেজ

সব আলো নিভে যাক আঁধারে, শুধু জেগে থাক ঐ দুরের তারারা
সব শব্দ থেমে যাক নিস্তব্ধতায়, শুধু জেগে থাক এই সাগর
আমার পাশে ।

সব বেদনা মুছে যাক স্থিরতায়, হৃদয় ভরে যাক অস্তিত্বের আনন্দে
হৃদয় গভীরে অবাক দৃষ্টিতে থমকে দাড়িয়েছে মহাকাল এখানে ।
শুভ্র বালুর সৈকতে, এলোমেলো বাতাসে গিটার হাতে
নিস্তব্ধতা চৌচির, উন্মাদ ঝংকারে কাঁদি অবাক সুখের কান্না
যেন চুনি হিরা পান্না
সাগরের বুকে আলপনা এঁকে দিয়ে যায়
অবাক ভালোবাসায়, অবাক ভালোবাসায় ।

সব আলো নিভে যাক আঁধারে, শুধু জেগে থাক ঐ দুরের তারারা
সব শব্দ থেমে যাক নিস্তব্ধতায়, শুধু জেগে থাক এই সাগর
আমার পাশে ।

সব কষ্ট বয়ে যাক সুখের ঝড়, হৃদয় ভরে যাক সহজ নীল স্বপনে
হৃদয় গভীরে অবাক দৃষ্টিতে, থমকে দাড়িয়েছে মহাকাল এখানে ।
শুভ্র বালুর সৈকতে, এলোমেলো বাতাসে গিটার হাতে
নিস্তব্ধতা চৌচির, উন্মাদ ঝংকারে কাঁদি অবাক সুখের কান্না
যেন চুনি হিরা পান্না
সাগরের বুকে আলপনা এঁকে দিয়ে যায়
অবাক ভালোবাসায়, অবাক ভালোবাসায় ।

Tuesday, March 22, 2011

বাংলাদেশ - জেমস

তুমি মিশ্রিত লগ্ন মাধুরীর জলে ভেজায় কবিতায়
আছো সরোয়ার্দী,শেরেবাংলা, ভাসানীর শেষ ইচ্ছায়
তুমি বঙ্গবন্ধুর রক্তে আগুনে জ্বলা জ্বালাময়ী সে ভাষন
তুমি ধানের শীষে মিশে থাকা শহীদ জিয়ার স্বপন,
তুমি ছেলে হারা মা জাহানারা ঈমামের একাত্তরের দিনগুলি
তুমি জসীম উদ্দিনের নকশী কাথার মাঠ, মুঠো মুঠো সোনার ধুলি,
তুমি তিরিশ কিংবা তার অধিক লাখো শহীদের প্রান
তুমি শহীদ মিনারে প্রভাত ফেরীর, ভাই হারা একুশের গান,
আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি,
জন্ম দিয়েছ তুমি মাগো, তাই তোমায় ভালোবাসি।
আমার প্রানের বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি
প্রানের প্রিয় মা তোকে, বড় বেশী ভালোবাসি।
তুমি কবি নজরুলের বিদ্রোহী কবিতা উন্নত মম্‌ শীর
তুমি রক্তের কালিতে লেখা নাম, সাত শ্রেষ্টবীর
তুমি সুরের পাখি আব্বাসের, দরদ ভরা সেই গান
তুমি আব্দুল আলীমের সর্ব্নাশা পদ্মা নদীর টান।
তুমি সুফিয়া কামালের কাব্য ভাষায় নারীর অধিকার
তুমি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের, শাণীত চুরির ধার
তুমি জয়নুল আবেদীন, এস এম সুলতানের রঙ তুলীর আছড়
শহীদুল্লা কায়সার, মুনীর চৌধুরীর নতুন দেখা সেই ভোর।
আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি,
জন্ম দিয়েছ তুমি মাগো, তাই তোমায় ভালোবাসি।
আমার প্রানের বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি
প্রানের প্রিয় মা তোকে, বড় বেশী ভালোবাসি।
তুমি মিশ্রিত লগ্ন মাধুরীর জলে ভেজায় কবিতায়
তুমি বাঙ্গালীর গর্ব, বাঙ্গালীর প্রেম প্রথম ও শেষ ছোঁয়ায়,
তুমি বঙ্গবন্ধুর রক্তে আগুনে জ্বলা জ্বালাময়ী সে ভাষন
তুমি ধানের শীষে মিশে থাকা শহীদ জিয়ার স্বপন
তুমি একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে বেজে উঠ সুমধুর,
তুমি রাগে অনুরাগে মুক্তি সংগ্রামের সোনা ঝরা সেই রোদ্দুর
তুমি প্রতিটি পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধার, অভিমানের সংসার
তুমি ক্রন্দন, তুমি হাসি, তুমি জাগ্রত শহীদ মিনার
আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি,
জন্ম দিয়েছ তুমি মাগো, তাই তোমায় ভালোবাসি।
আমার প্রানের বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি
প্রানের প্রিয় মা তোকে, বড় বেশী ভালোবাসি।

তোমাদের মাঝে কি কেউ আছে বন্ধু আমার - জেমস

তোমাদের মাঝে কি কেউ আছে বন্ধু আমার
তোমাদের মাঝে কি কেউ আছে পথ ভোলা
তবে বন্ধু নৌকা ভেড়াও মুছিয়ে দেবো দুঃখ সবার
তবে বন্ধু নৌকা ভেড়াও মুছিয়ে দেবো দুঃখ জ্বালা

ওরে কে আছে মুক্ত জীবন নিয়ে ছন্নছাড়া-
আপনাকে ভালোবেসে আপনদেশে ঠিকানাহারা
তবে বন্ধু নৌকা ভেড়াও মুছিয়ে দেবো দুঃখ সবার
তবে বন্ধু নৌকা ভেড়াও শুনাবো গান আজ সারারাত
যদি বুঝতে না চাও এই বুকের ভেতর কতো যন্ত্রণা
যদি দেখতে না চাও এই ছলনার ভীড়ে হারানো প্রেম
তবে বন্ধু নৌকা ভেড়াও মুছিয়ে দেবো দুঃখ সবার
তবে বন্ধু নৌকা ভেড়াও শুনাবো গান আজ সারারাত

প্রিয়তমা হারা কেউ কি আছো
মা-হারা বাবা-হারা সন্তান-হারা কেউ কি আছো
তবে বন্ধু নৌকা ভেড়াও মুছিয়ে দেবো দুঃখ সবার
তবে বন্ধু নৌকা ভেড়াও শুনাবো গান আজ সারারাত
ঠিকানাবিহীন ঠিকানার খুঁজে-
যদি পেতে চাও ভালোবাসা এসো আমার কাছে
তবে বন্ধু নৌকা ভেড়াও মুছিয়ে দেবো দুঃখ সবার
তবে বন্ধু নৌকা ভেড়াও শুনাবো গান আজ সারারাত