Monday, April 30, 2012
বৃত্তালপনা - তাহসান
Sunday, April 8, 2012
চোখের জল কিংবা পানি, সেতো নোনতাই থেকে যায়ঃ অঞ্জন দত্ত
বাংলাদেশে অনুষ্ঠান করতে যাই।ফিরে এসে সেই ছোট্ট প্রাণবন্ত দেশটাকে নিয়ে কিছু গান লিখি, আমার বাংলাদেশের শ্রোতাদের জন্য।তার মধ্যে এই গানটা মনে হয় আমার এই বাংলার কিছু মানুষের হয়তো খারাপ লাগবেনা।
বেইলী রোডের ধারে, আমি দেখেছি তোমায়
রাতের অন্ধকারে, আমি দেখেছি তোমায়
আমার বউ বাজারে,আমি দেখেছি তোমায়
দু'দিকের কাঁটা তারে আমি দেখেছি তোমায়
এখানে তুমি হাসি মল্লিক,ওখানে হাসিনা
এখানে তোমার দাম পঞ্চাশ, ওখানে কত জানিনা
নিয়ন আলোয় ঝলসে যাওয়া দুটো শহরের রাত
বেঁচে থাকার জন্য কেনা বেচার দুটো হাত
ডলারের হার কমলে, তাদের দর বদলায়
চোখের জল কিংবা পানি, সেতো নোনতাই থেকে যায়।
কারো খদ্দের টয়োটা চড়ে, কারোর মারুতি জেন
কারো চোখে দিশি নেশা, কারোর ফরেন
তবু চাহিদা সেতো একটাই, একটুখানি সুখ
তাই একই ভাবে লাঞ্ছিত হয় দুটি দেশের মুখ
তবু আবার সকাল আসে, ওরা স্নান করে যায়
দুজনেই মনে মনে, বাংলায় গান গায়।
ডলারের হার কমলে, তাদের দর বদলায়
চোখের জল কিংবা পানি, সেতো নোনতাই থেকে যায়।
এখানে ঘোলাটে গঙ্গার জল, ওখানে ইছামতি
নোংরা নষ্ট, হাজার কষ্ট তবু বয়ে চলে ঠিকই
চেপে রাখা ক্ষত,যত যত হাহাকার
বিশ্বের কাছে দেনার দায়ে লাঞ্ছিত বারবার
তবু আবার রঙ চাপিয়ে,দাঁড়াতেই হয়
বেঁচে থাকার জন্য, বিশ্বের রাস্তায়।
ডলারের হার কমলে, দেশের দর বদলায়
চোখের জল কিংবা পানি, সেতো নোনতাই থেকে যায়
কাঞ্চনজঙ্ঘা - অঞ্জন দত্ত
একটু বেশি রোজগার
ছাড়লাম ঘর আমি
ছাড়লাম ভালোবাসা আমার নীলচে পাহাড় ।
পারলোনা কিছুতেই তোমার কলকাতা
আমাকে ভুলিয়ে দিতে
পাহাড়ী রাস্তার ধারের বস্তির
আমার কাঞ্চনকে.....
কাঞ্চন জানা, কাঞ্চন ঘর
কাঞ্চনজঙ্ঘা , কাঞ্চন মন ।
তো পাইলে সোনা ........
হনু হইয়্যো... ম উল্লা
ভাংচু কাঞ্চন ।
সোনার খোঁজে কেউ
কত দূর দেশে যায়
আমি কলকাতায়,
সোনার স্বপ্ন খুঁজে ফিরি একা একা
তোমাদের ধর্মতলায়।
রাত্তির নেমে এলে তিন'শ বছরের
সিমেন্টের জঙ্গলে
ফিরে চলে যাই সেই
পাহাড়ী বস্তির কাঞ্চনের কোলে ।
জং ধরা রং চটা পার্কের বেঞ্চিটা
আমার বিছানা ।
কখন যে তুলে নিয়ে গিয়েছিল আমাকে
তোমাদের থানা ।
তিন মাস জেল খেটে
এখন আমি সেই থানার দারোয়ান
পারবোনা ফিরে পেতে হয়তো কোনদিন
আমার সেই কাঞ্চন.......
কাঞ্চন জানা, কাঞ্চন ঘর
কাঞ্চনজঙ্ঘা,কাঞ্চন মন ।
তো পাইলে সোনা ........
হনু হইয়্যো... ম উল্লা
ভাংচু কাঞ্চন ।
বেড়াতে যদি তুমি যাও কোনদিন
আমার ক্যালিম্পং
মনেরেখ শংকর হোটেলের ভাড়া
ট্যুরিস্ট লজের চেয়ে কম
রাত্তির নেমে এলে আসবে
তোমার ঘরে চুল্লিটা জ্বালিয়ে দিতে
আর কেউ নয় সে যে আমার ফেলে আসা
নীলচে পাহাড়ের মেয়ে,
বলোনা তাকে আমি দারোয়ান
শুধু বলো করছি ভালোই রোজগার
ঐ বস্তির ড্রাইভার চীগমীর সাথে
যেন বেঁধে না ফেলে সংসার
আর কিছু টাকা আমি জমাতে পারলে যাব যাব ফিরে
পাহাড়ী রাস্তার ধারের বস্তির আমার নিজের ঘরে ।
আর যদি দেখ তার কপালে সিঁদুর
বলোনা কিছুই তাকে আর
শুধু এই সত্তর টাকা
তুমি যদি পার গুঁজে দিও হাতে তার ।
ট্রেনের টিকিটের ভাড়াটা সে দিয়েছিল
কানের মাঁকড়ি বেচে
ভালোবাসার সেই দাম তুমি দিয়ে দিও
আমার কাঞ্চনকে ......
কাঞ্চন জানা, কাঞ্চন ঘর
কাঞ্চনজঙ্ঘা, কাঞ্চন মন ।
তুমি যাকে বল সোনা
আমি তাকে বলি কাঞ্চন......
কাঞ্চন জানা, কাঞ্চন ঘর
কাঞ্চনজঙ্ঘা, কাঞ্চন মন ।
তো পাইলে সোনা ........
হনু হইয়্যো... ম উল্লা
ভাংচু কাঞ্চন ।
Saturday, April 7, 2012
বৃষ্টি - অঞ্জন দত্ত
বৃষ্টির ছবি এঁকেছি
আমি রোদে পুড়ে
ঘুরে ঘুরে অনেক কেঁদেছি
আমার আকাশ কুসুম স্বপ্ন দেখার
খেলা থামেনি
শুধু তুমি চলে যাবে
আমি স্বপ্নেও ভাবিনি
আমি বৃষ্টি দেখেছি
চারটে দেয়াল মানেই নয়তো ঘর
নিজের ঘরেও অনেক মানুষ পর
কখন কিসের টানে মানুষ
পায় যে খুঁজে বাঁচার মানে
ঝাপসা চোখে দেখা এই শহর
আমি অনেক ভেঙ্গেচুরেও
আবার শুরু করেছি
আবার পাওয়ার আশায়
ঘুরে মরেছি
আমি অনেক হেরে গিয়েও
হারটা স্বীকার করিনি
শুধু তোমায় হারাবো
আমি স্বপ্নেও ভাবিনি
আমি বৃষ্টি দেখেছি
হারিয়ে গেছে তরতাজা সময়
হারিয়ে যেতে করেনি আমার ভয়
কখন কিসের টানে মানুষ
পায় যে খুঁজে বাঁচার মানে
ঝাপসা চোখে দেখা এই শহর
আমি অনেক স্রোতে
বয়ে গিয়ে
অনেক ঠকেছি
আমি আগুন থেকে
ঠেকে শিখে
অনেক পুড়েছি
আমি অনেক কষ্টে
অনেক কিছুই
দিতে শিখেছি
শুধু তোমায় বিদায় দিতে হবে
স্বপ্নেও ভাবিনি
আমি বৃষ্টি দেখেছি
আমি বৃষ্টি দেখেছি
আমি বৃষ্টি দেখেছি
Saturday, March 24, 2012
আমি সবাই - অঞ্জন দত্ত (ছায়াছবি - রঞ্জনা আমি আর আসবো না)
Sunday, January 1, 2012
জানতে ইচ্ছে করে - অর্থহীন
নিশ্চুপ চারিদিক বসে আছি ছাদে একাকী
জোসনায় হিমেল হাওয়ায় তোমার কথা ভাবি
এভাবেই কেটে যায় কিছু সময়
নিয়ে চোখে পানি
হয়তো মেঘের ভেলায় ভেসে
দেখছো আমায় তুমি
জানতে ইচ্ছে করে আমার
কেমন আছ তুমি?
প্রতি রাতে আকাশপানে তোমাকেই খুজি
তোমার মুখের মিষ্টি হাসি এখনো চোখে ভাসে
কত কবিতা কত গান তেপান্তর নিয়ে
তোমার কথা ভেবে ভেবে দেখি আকাশটাকে
মাঝে মাঝে আকাশটাকে ছুতে ইচ্ছে করে
জানতে ইচ্ছে করে আমার
কেমন আছ তুমি?
প্রতি রাতে আকাশপানে তোমাকেই খুজি
জানতে ইচ্ছে করে আমার
তোমার সব ব্যাথা
অপারের জগৎটাকে হবে কি কভু দেখা
তোমার জগতে অধিক সন্ধ্যাতারা
তোমার জগতে বয়কি ঝরনাধারা
তোমার জগতে কেউকি শুভ্রহারা
জানতে ইচ্ছে করে আমার
কেমন আছ তুমি?
প্রতি রাতে আকাশপানে তোমাকেই খুজি
সুর আর আসে না
ফুল আর ফুটে না
পাশের বাগানটাতে
চলে গেছ তুমি আমায় ফেলে
মেঘের অপাশটাতে
জানতে ইচ্ছে করে আমার
কেমন আছ তুমি?
প্রতি রাতে আকাশপানে তোমাকেই খুজি
জানতে ইচ্ছে করে
Thursday, December 1, 2011
কবে - নেমেসিস
তবে এত কথা দিয়ে কি হবে
যদি নাই দেখি এই পথ চলে
যদি নাই থাকি তোমারি হয়ে
কবে এই কথাগুলো গাবো সুরে
কবে এই কথা?
কবে এই কথাগুলো গাবো সুরে
কবে এই কথা?
আমি ফিরে দেখি ভাঙ্গা আয়নাতে
এই শেষ রাতের গল্প গুলোকে
মনেরই বন্ধ জানালাতে
কথাগুলো আজও হারিয়ে
তবে তোমার কথা শুনে
কতটা পথ দেখব ঘুরে?
কবে এই কথাগুলো গাব সুরে
কবে এই কথা?
কবে এই কথাগুলো গাবো সুরে
কবে এই কথা?
কল্পনা আজ পিছনে ফিরে রয়
অন্ধভুবনে
কথাগুলো আজ জড়িয়ে একসাথে
অন্য কারো সুরে
কবে..